বিসিএস তথ্য (সাধারণ) ক্যাডার থেকে পদোন্নতির ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। পদোন্নতির জন্য আবেদনকৃতের তালিকা এবং পদোন্নতিপ্রাপ্তের মধ্যে বিশ্লেষণ করলে এ অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কথা না বললেও সংশ্লিষ্ট ক্যাডার কর্মকর্তাদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক কর্মকর্তার মন্তব্য হচ্ছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে গেলেও এখনো বৈষম্য দূর হয়নি। পদোন্নতির জন্য আবেদন করে যথেষ্ট যোগ্যতা-দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও জ্যেষ্ঠদের ডিঙিয়ে জুনিয়র দুই কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে উপসচিব করা হয়েছে।
উপসচিব পদে পদোন্নতির বিবেচনার জন্য বিসিএস তথ্য (সাধারণ) ক্যাডার কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতার তালিকায় দেখা যায় এক নম্বরে রয়েছে তথ্য অধিদপ্তরের উপপ্রধান তথ্য অফিসার কামরুজ্জামান ভুঁঞার নাম। ক্রমানুসারে ২ নস্বরে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালক শিপলু জামান, তিন নম্বরে তথ্য অধিদপ্তরের উপ-প্রধান তথ্য অফিসার হাসিনা আক্তার ও চার নম্বরে উপ-প্রধান তথ্য অফিসার (প্রেষণে প্রথম সচিব, লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত) আনোয়ার হোসাইন এর নাম রয়েছে।
অথচ এই চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে তালিকায় ৫ নম্বরে থাকা উপ-প্রধান তথ্য অফিসার (প্রেষণে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পরিচালক পদে কর্মরত) মো. শরীফুল আলম এবং ৬ নম্বরে থাকা তথ্য অধিদপ্তরের উপ-প্রধান তথ্য অফিসার মুহা. সুমন মেহেদী পদোন্নতি পেয়ে উপসচিব হয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে চেষ্টা করেও দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার মন্তব্য জানা যায়নি। তবে, পদোন্নতি বঞ্চিতরা এ বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।