বাঙালির ভাতের পর সবচেয়ে পছন্দের খাবার হলো রুটি। শর্করা জাতীয় এই খাদ্য হিসেবে রুটি অনেক পুষ্টিতে ভরপুর। সকালের নাশতায় কিংবা রাতের খাবারে অনেকেই রুটি খেয়ে থাকেন। তরকারি, ডাল,মাংসের সঙ্গে গরম গরম রুটি খেতে বেশ লাগে। তবে রুটি নরম না হলে খেতে ভালো লাগে না। অনেকেরই হয়তো জানেন না, নরম রুটি নির্ভর করে আটা কিংবা ময়দা মাখার পদ্ধতির উপর। তাই রুটি শক্ত হওয়া এড়াতে বেশ কিছু সহজ পদ্ধতি মেনে চলতে হবে। তাহলে রুটি হবে নরম ও তুলতুলে।
দীর্ঘসময় রুটিকে নরম আর তুলতুলে রাখতে ঠান্ডা পানি নয়, গরম পানিতে আটা মেখে নিতে হবে। সঙ্গে অল্প দুধ এবং ঘি ব্যবহার করতে হবে। দুধের প্রোটিন রুটির ময়েশ্চার ধরে রাখে। পাশাপাশি ঘি রুটি নরম করতে সাহায্য করে। এই নিয়ম মেনে আটা মেখে নিলে রুটি ঠান্ডা হয়ে গেলেও শক্ত হবে না।
মাখার পর ঢেকে রাখা
আটা মাখার পরেই রুটি বেলা বা সেঁকে নেবেন না। আটা মাখার পরে ডো একটি সুতির কাপড় দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে। এতে রুটি নরম হবে।
লেচি ছোট করে কাটা
রুটি মোটা করে বানালে শক্ত হবে। তাই ডো থেকে লেচি ছোট ছোট কেটে নিতে হবে। সেটি পাতলা করে বেলে নিতে হবে। এছাড়া রুটি বেলার আগে বেলনে হালকা করে তেল মাখিয়ে নিতে হবে। এতে রুটি ভালো ফুলবে এবং নরম হবে।
সঠিক আঁচে ভাজা
চুলার মাঝারি আঁচে রুটি ভেজে নিতে হবে। মাঝারি আঁচে রুটি ভাজার কারণে রুটি কখনোই পুড়ে যাবে না। আবার রুটিগুলো ফুলেও উঠবে। এই নিয়মে রুটি ভেজে নিলে রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকবে নরম আর তুলতুলে।
রুটি সংরক্ষণ করা
রুটি সেঁকা হয়ে গেলে একটি সুতির কাপড়ে রুটিগুলো মুড়ে রাখতে হবে। এতে রুটি দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত নরম এবং গরম থাকবে। এছাড়া রুটিতে ঘি মাখিয়ে রাখতে পারেন। এতেও রুটি নরম থাকবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া